কার্ডিওলজি ডাক্তার: হৃদরোগের লক্ষণ, চিকিৎসা ও সেরা বিশেষজ্ঞ নির্বাচন গাইড

কার্ডিওলজিস্ট ডাক্তার রাজশাহী

কার্ডিওলজি ডাক্তার কে?  

কার্ডিওলজি শব্দটি এসেছে প্রাচীন গ্রীক ভাষা থেকে, যেখানে “kardia” মানে হৃদয় এবং “logia” মানে অধ্যয়ন। অর্থাৎ কার্ডিওলজি হলো হৃদপিণ্ড ও রক্তনালীর রোগ সম্পর্কে জানা, তা নির্ণয় করা এবং চিকিৎসা করার চিকিৎসা শাখা। এটি অভ্যন্তরীণ চিকিৎসাবিদ্যার (ইন্টারনাল মেডিসিন) একটি উপ-বিশেষত্ব। কার্ডিওলজিতে জন্মগত হৃদরোগ, করোনারি ধমনী রোগ, হৃদযন্ত্রের ব্যর্থতা, হার্টের ভাল্বের সমস্যা, অ্যারিথমিয়া (হার্টবিট অনিয়মিত হওয়া) এবং ইলেক্ট্রোফিজিওলজি সম্পর্কিত রোগের চিকিৎসা করা হয়। 

এই ক্ষেত্রে যারা বিশেষজ্ঞ তারা হলেন কার্ডিওলজি ডাক্তার বা কার্ডিওলজিস্ট বা হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ।  

তারা সাধারণত হৃৎপিণ্ডের জন্মগত ত্রুটি, করোনারি আর্টারি ডিজিজ, হার্ট ফেইলিওর, ভালভুলার হার্ট ডিজিজ এবং ইলেক্ট্রোফিজিওলজির মতো বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে কাজ করে থাকেন। 

কার্ডিওলজি ডাক্তার  যে রোগগুলোর চিকিৎসা করেন 

  • হার্ট অ্যাটাক (Heart attack)
  • উচ্চ রক্তচাপ (High blood pressure)
  • হার্ট ফেইলিওর (Heart failure)
  • করোনারি আর্টারি ডিজিজ (Coronary artery disease)
  • অনিয়মিত হৃদস্পন্দন বা অ্যারিথমিয়া (Arrhythmia)
  • ভালভুলার হার্ট ডিজিজ (Valvular heart disease)
  • জন্মগত হৃদরোগ (Congenital heart defects) 

কার্ডিওলজি ডাক্তার কেন প্রয়োজন, কখন প্রয়োজন?

মানবদেহের সব চেয়ে সক্রিয় অংশ  হলো হৃদপিন্ড। যার অবিরত স্পন্দন মানব শরীরের প্রাণের নির্দেশক। এই হৃদপিন্ডের যে কোন সমস্যা একজন কার্ডিওলজি ডাক্তারের প্রয়োজনীয়তা বলে শেষ করার মতো না।   বর্তমান সময়ে সারা বিশ্বে হৃদপিন্ডে সমস্যা একটি পরিচিত রোগ এবং উদ্বেগ। যা প্রতি বছর লক্ষ লক্ষ মানুষকে প্রভাবিত করে। এর যে কোন সমস্যা অবহেলা করলে পরে তা বিরাট ঝুঁকির কারণ হতে পারে। 

হৃদপিন্ড বা হার্টের সমস্যা দেখা দিলে সাময়িক ভাবে যে কোন বিষয়ে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসা হয়ত পরিচালনা করতে পারবেন। কিন্তু  কিছু লক্ষণ এবং ঝুঁকির কারণগুলির জন্য একজন কার্ডিওলজি ডাক্তার বিশেষভাবে প্রয়োজন এবং অত্যাবশকীয়। 

হৃদপিণ্ডের কোনো সমস্যা বা ঝুঁকির কারণ থাকলে দ্রুত কার্ডিওলজি ডাক্তারের কাছে যাওয়া প্রয়োজন। এছাড়াও, যাদের ডায়াবেটিস আছে বা যাদের পরিবারে হৃদরোগের ইতিহাস আছে, তাদের প্রতিরোধের জন্য বছরে অন্তত একবার কার্ডিওলজি ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করা উচিত।

হৃদরোগের সাধারণ লক্ষণ 

  • বুকে অস্বস্তি, বাহু, পিঠ, ঘাড় বা চোয়ালে ছড়িয়ে পড়তে পারে। এটি আসতে পারে এবং যেতে পারে, অথবা সময়ের সাথে সাথে স্থায়ী হতে পারে। 
  • নিঃশ্বাসের দুর্বলতা, স্বাভাবিক কাজকর্মের সময় অথবা বিশ্রামের সময় শ্বাসকষ্ট অনুভব করা
  • উচ্চ রক্তচাপএকটি নীরব অবস্থা, যা লক্ষণ ছাড়াই ধীরে ধীরে হৃদপিণ্ড এবং ধমনীগুলিকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। 
  • অনিয়মিত হৃদস্পন্দন যা অ্যারিথমিয়ার লক্ষণ হতে পারে, যেখানে হৃদস্পন্দন খুব দ্রুত, খুব ধীর বা অনিয়মিতভাবে হয়।
  • খুব বেশি ক্লান্তি বা দুর্বলতা, বিশেষ করে যদি তা হঠাৎ বা তীব্র হয়, তবে  তা ইঙ্গিত করে যে যে হৃদপিণ্ড কার্যকরভাবে পাম্প করছে না।
  • মাথা ঘোরা বা হালকা মাথা ঘোরা, বিশেষ করে হঠাৎ দাঁড়িয়ে থাকার সময়, হৃদযন্ত্রের ভালভের সমস্যা বা অ্যারিথমিয়ার লক্ষণ হতে পারে।
  • পা, গোড়ালি,, অথবা পেটে ফোলে যাওয়া হৃদপিণ্ড কার্যকরভাবে রক্ত ​​পাম্প করছে না তার লক্ষণ হতে পারে।

হৃদরোগের ঝুঁকিপূর্ন লক্ষণ 

  • প্রায় সময় বুকে ব্যথা, চাপ, টানটান ভাব, বা অস্বস্তি। বিশেষ করে কাজের সময় বা বিশ্রামের সময়, তাহলে এটি জটিল হৃদরোগের লক্ষণ হতে পারে, যার দ্রুত চিকিৎসা প্রয়োজন।
  • শ্বাসকষ্ট হলে, বিশেষ করে স্বাভাবিক কাজকর্মের সময় বা শুয়ে থাকার সময়। এটা  করোনারি ধমনী রোগের লক্ষণ হতে পারে ।
  • রক্তচাপ বা কোলেস্টেরলের মাত্রা ক্রমাগত বেশি থাকা।  
  • পারিবারিকভাবে হৃদরোগের ইতিহাস থাকলে। যদি পরিবারের কারো কম বয়সে হৃদরোগ জনিত সমস্যা থাকে তাহলে ঝুঁকি বেশি থাকে। 

কার্ডিওলজি ডাক্তারঃ ডা. মোঃ রাকিবুল হাসান তুষার 

রাজশাহীতে হৃদরোগ চিকিৎসা এখন অনেক বেশি উন্নত ও সহজলভ্য, আর সেই উন্নতির ধারায় অন্যতম নাম ডা. মোঃ রাকিবুল হাসান তুষার। তিনি একজন দক্ষ ক্লিনিক্যাল ও ইন্টারভেনশনাল কার্ডিওলজিস্ট, যিনি বহু বছর ধরে রাজশাহীর মানুষকে হৃদরোগের সেবা ও চিকিৎসা দিয়ে যাচ্ছেন। 

তার যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার মাধ্যমে রাজশাহী অঞ্চলে হৃদরোগ চিকিৎসায় নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছেন। তিনি হলেন-

এমবিবিএস (রামেক), বিসিএস (স্বাস্থ্য), এমডি (কার্ডিওলজি – হার্ট ফাউন্ডেশন), এমএসিসি (আমেরিকা) এবং এক্স-কনসালটেন্ট, ল্যাবএইড কার্ডিয়াক হাসপাতাল, ঢাকা হিসেবে দীর্ঘদিন কাজ করেছেন।

তার পরামর্শে নিয়মিত চেকআপ ও সচেতনতা হৃদরোগ প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
মনে রাখবেন, সময়মতো রোগ নির্ণয় ও সঠিক চিকিৎসাই জীবন বাঁচাতে পারে। আপনার হৃদযন্ত্রের সুরক্ষাই আপনার দীর্ঘ ও সুস্থ জীবনের চাবিকাঠি। 

চেম্বার

পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার

রুম নং- ৩২৭, ৩য় তলা, ভবন-২
শেরশাহ রোড, লক্ষীপুর, রাজশাহী
প্রতিদিন দুপুর ৩টা থেকে রাত্রী ৮টা।

যোগাযোগঃ 01978-040842

মেইল লিস্টে যুক্ত হোন

Subscription Form

সার্চ করুন

আরোও পড়তে পারেন!

শেয়ার করুন:

চেম্বার

পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার

রুম নং- ৩২৭, ৩য় তলা, ভবন-২
শেরশাহ রোড, লক্ষীপুর, রাজশাহী
প্রতিদিন দুপুর ৩টা থেকে রাত্রী ৮টা।

ম্যাপ লোকেশন